ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যবহৃত ইরানি শাহেদ ড্রোনের উন্নত সংস্করণ এখন খোদ ইরানে পৌঁছে যাচ্ছে রাশিয়ার কাছে। চলতি সপ্তাহে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মার্কিন ও ইউরোপীয় কর্মকর্তারা বার্তা সংস্থা এপি-কে।
তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার ব্যবহৃত সাধারণ শাহেদ ড্রোনগুলোর ওপর অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে, যা তাদের আরও প্রাণঘাতী করেছে। নতুন সংস্করণে রয়েছে জেট ইঞ্জিন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রিত নেভিগেশন সিস্টেম, উন্নত জ্যামার-প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং স্টারলিংক ইন্টারনেট ডিভাইস।
ইউরোপীয় কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, আজারবাইজান সীমান্তের মাধ্যমে মানবিক সহায়তার আড়ালে ট্রাকে করে অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে এসব শক্তিশালী ড্রোন তেহরানে পাঠানো হচ্ছে। তবে ড্রোন চালানের আকার বা এটি একবারে নাকি ধাপে ধাপে সরবরাহ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে এখনও সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই অস্ত্র সরবরাহের খবরকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা’ হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে, হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অলিভিয়া ওয়েলস বলেন, অন্য কোনো দেশ ইরানকে যা-ই সরবরাহ করুক না কেন, তা মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের সাফল্যে প্রভাব ফেলবে না।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলার পর গত এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরান বিভিন্ন নিশানায় নিয়মিত ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। সমর বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, রাশিয়ার আপগ্রেড করা এই অত্যাধুনিক ড্রোনগুলো ইরানের হাতে পৌঁছালে, তা মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনযুক্ত মার্কিন ও তাদের মিত্রবাহিনীর বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।





